Home / অন্যান্য / নতুন ও পুরাতন কবুতর পালকদের এই ১৪ টি বিষয় মানতেই হবে
নতুন ও পুরাতন কবুতর পালকদের এই ১৪ টি বিষয় মানতেই হবে
নতুন ও পুরাতন কবুতর পালকদের এই ১৪ টি বিষয় মানতেই হবে

নতুন ও পুরাতন কবুতর পালকদের এই ১৪ টি বিষয় মানতেই হবে

আপনারা যারা কবুতর পালন করেন অথবা কবুতর পালন করা শুরু করতে চাচ্ছেন তাদের জন্য আজকের পোস্টটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারন, আজকের পোস্টে এমন ১৪ টি তথ্য দিবো যা কবুতর পালন করতে গেলে অবশ্যই মানতে হবে। তাই আমি আশা রাখবো সম্পূর্ণ পোস্টটি মনোযোগ দিয়ে পড়বেন। তাহলে চলুন আমরা মূল আলোচনা শুরু করি-

=> ১৪ টি কাজঃ
১) কবুতর পালকদের সর্বপ্রথম যে বিষয় মাথায় রাখতে হবে তাহলো- কবুতরের ঘরে পর্যাপ্ত আলো-বাতাসের ব্যবস্থা করতে হবে অর্থাৎ কবুতরের ঘরে যেন বাতাস চলাচল করতে পারে এবং পর্যাপ্ত পরিমাণ আলো ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

২) আপনি যদি নতুন জাতের কবুতর/ নতুন কবুতর সংগ্রহ করতে চান তাহলে সে জাতের কবুতর/নতুন কবুতর সম্পর্কে আগে বিস্তারিত জানুন তারপর সংগ্রহ করুন। যেমন ধরুন- কবুতরের বয়স কত?, এ পর্যন্ত কতবার ডিম-বাচ্চা করেছে?, কবুতরের কোনো রোগজীবাণু আছে কিনা ইত্যাদি বিষয় খেয়াল করে কবুতর সংগ্রহ করতে হবে।

৩) কবুতরকে অবশ্যই ভালো মানের গ্রিট, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন খাবার-পানি পরিবেশন করতে হবে। যদি কবুতরকে পরিষ্কার খাবার-পানি না দেন তাহলে কবুতর ঘন ঘন বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হবে।




৪) মাঝেমাঝে কবুতরকে কিছু সময়ের জন্য রোধে রাখবেন। এতে কবুতরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে।

৫) কবুতর জোড়া থেকে ১ অথবা ২ বার বাচ্চা নেওয়ার পর তাদের মা-বাবাকে ১৫ দিন অথবা ১ মাস রেস্টে রেখে আবার বাচ্চা নিবেন। এতে করে কবুতরের ডিম বাচ্চায় কোন সমস্যা হবে না।

৬) ৯০ দিন পরপর কবুতরকে অবশ্যই কৃমি কোর্স করাবেন।

৭) কবুতরকে প্রাকৃতিক উপাদান যেমন- রসুন, কালোজিরা, তুলসিপাতা, আদা ইত্যাদি খেতে দিন। নিয়মিত কবুতরকে এগুলো খাওয়ালে কবুতর সুস্থ থাকবে।

৮) ডিমে থাকা কবুতরকে বিনা কারনে বিরক্ত করবেন না।ডিমে থাকা কবুতর যদি বেশি বিরক্ত হয় তাহলে ডিমে তা (উম) দেওয়া বন্ধ করে দিতে পারে।

৯) নিয়মিত কবুতরের পায়খানা পর্যবেক্ষন করুন অর্থাৎ কবুতরের পায়খানা স্বাভাবিক আছে কিনা সেটা খেয়াল করবেন।

১০) কবুতর অসুস্থ হলে অভিজ্ঞ কারো পরামর্শ নিয়ে নিয়ে চিকিৎসা করাবেন।

১১) কবুতরকে অতিরিক্ত এন্টিবায়োটিক খাওয়ানো থেকে বিরত থাকুন।

১২) ঔষধের উপর নির্ভরতা কমিয়ে প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করুন।

১৩) কবুতরের ঘর, খাবার ও পানির পাত্র নিয়মিত পরিষ্কার করুন।

১৪) কবুতরের মাসিক কোর্স যথাযথভাবে সম্পূর্ণ করতে হবে।
আজ এ পর্যন্তই। সকলের সুস্থতা কামনা করছি। আল্লাহ হাফেজ…

এই পোস্ট আপনাদের উপকারে আসলে একটি লাইক, কমেন্ট ও শেয়ার করুন। ধন্যবাদ...

Check Also

ভালো মানের গিরিবাজ কবুতর চেনার উপায়

ভালো মানের গিরিবাজ কবুতর চেনার উপায়

গিরিবাজ জাতের কবুতর চেনার উপায় আমাদের অনেকেরই জানা নেই। কবুতর পালন আমাদের দেশে বেশ জনপ্রিয় …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *