সোমবার , জুলাই ৪ ২০২২
Home / কবুতর পরিচিতি / কবুতর বিষয়ে ২৬ টি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
কবুতর বিষয়ে ২৬ টি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
কবুতর বিষয়ে ২৬ টি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

কবুতর বিষয়ে ২৬ টি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

কবুতর এমন একটা প্রাণী যা কিনা হাজার বছর ধরে মানুষের পছন্দের তালিকায় প্রথম স্থান দখল করে রয়েছে।শুধু তাই নয় কবুতরের বিষয়ে রয়েছে হাজারো ইতিহাস। যদিও আমরা এই বিষয় গুলো সম্পর্কে এলোমেলো ভাবে হলেও কিছুটা ধরনা রাখি।

এরই ধারাবাহিকতায় আজ আমরা কবুতর বিষয়ক এমন কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আপনাদের সাথে শেয়ার করবো। হয়ত এই তথ্য গুলো আমরা অনেকেই জানি।

তবুও আজ এই তথ্য গুলোকে আমরা ধারাবাহিক ভাবে তিনটি ভাগে ভাগ করে উল্লেখ করবে। যা হয়ত নতুন বা পুরাতন অনেক কবুতর পালকদের উপকারে আসবে বলে আশাবাদী। চলুন তাহলে তথ্য গুলো জানা যাক।

১। কবুতর হলো সবথেকে প্রাচীনতম সৌখিন গৃহপালিত পাখি।

২। বন্য কবুতর বা ফেরাল রক কবুতরকে পৃথিবীর সমস্ত কবুতরের বংশধর হিসেবে ধরা হয়।

৩। দুইটি কবুতর মিলে একটি জোড়া হয়। জোড়াতে একটি মাদি অর্থাৎ স্ত্রী ও একটি নর অর্থাৎ পুরুষ কবুতর থাকে।

৪। কবুতর সারাজীবন একই সঙ্গীর সাথে থাকতে পছন্দ করে।

৫। জোড়ায় থাকা কবুতর সমান অংশগ্রহণে তাদের বাচ্চা লালন পালন করে।

৬। কবুতরের নর ও মাদি উভয়েই বাচ্চা কে প্রতিপালন এর জন্য ক্রপ মিল্ক তৈরির তৈরি করে। যা শুধু মাত্র ফ্লেমিঙ্গ ও উন্নত জাতের পেঙ্গুইন এর মধ্যে দেখা যায়।

৭। কবুতর সাধারণত ১০ – ১৫ বছর বেঁচে থাকে।

৮। পাখিদের মধ্যে একমাত্র কবুতর কেই সরাসরি যুদ্ধে আংশগ্রহনের জন্য বীর উপাধিতে ভূষিত করা হয়েছে।

৯। কবুতরের সৃতি শক্তি এতটাই প্রখর যে অনেক বছর পরও সে তার পূর্বের বাসস্থান চিনতে পারে।

১০। কবুতর হলো পৃথিবীর সব থেকে দ্রুত পোষ মানা পাখি। যারা মানুষের সহচার্যে থাকতে ভালো বাসে।

১১। কবুতর সাধারণত নিজের তৈরি করা বাসায় ডিমে বসতে স্বাদছন্দবোধ করে।

১২। কবুতর সুস্থ থাকার জন্য তারা নিজেরাই নিয়মিত গোসল করে।

১৩। কবুতর দীর্ঘ দিন এদের রোগ লুকিয়ে রাখতে পারে। এমন কি মৃত্যু অবধি।

১৪। কবুতর ঘরে ফেরার জন্য দুই ধরনের কৌশল অবলম্বন করে। ম্যাপ সেন্স ও কম্পাস সেন্স। ম্যাপ সেন্সের ক্ষেত্রে তারা যেখানে বাস করে সেখানকার ভূমির চিহ্ন ও গন্ধ কাজে লাগায়। কম্পাস সেন্সের ক্ষেত্রে সূর্যের অবস্থান ও গতিবিধির ওপর নির্ভর করে।

১৫। কবুতর ঝাঁক বেঁধে থাকতে পছন্দ করে। এই ঝাঁকের নেতৃত্ব থাকে একটি কবুতর। বাকিরা তাকে অনুসরণ করে।

১৬। কবুতর কখনোই ভুলে না এবং ক্ষমাও করে না।কবুতর সম্পর্কে সবচেয়ে চমকপ্রদ তথ্য হচ্ছে বন্য কবুতর মানুষের চেহারা চিনতে পারে। তাদের বোকা বানানো খুব কঠিন।

১৭।কবুতর ৬০০০ ফিটের ও বেশি উচ্চতায় সাচ্ছন্দ্যে উড়তে পারে।

১৮। কবুতরের উড়বার গতি ঘন্টায় গড়ে ৭৭.৬ মাইল ( ১২৫.৮৬ কিলোমিটার) থেকে ৯২.৫ মাইল (১৪৮.৮৩ কিলোমিটার)।

১৯। কবুতর ১ দিনে ৬০০-৭০০ মাইল ( ৯৬৫-১১২৬ কিলোমিটার) পথ অতিক্রম করতে পারে।

২০। কবুতর মানুষের মত সব রং চিনতে পারে।

২১। কবুতর সাঁতার কাটতে পারে না তবে সমস্ত পালক ভেজা অবধি পানির উপর ভেসে থাকতে পারে।

২৩। কবুতরের কোন ব্লাডার এবং মুত্রথলি নেই।

২৪। কবুতর রাতে চোখে খুব কম দেখে।

২৫। কবুতরের জিহ্বা লম্বা ও শরু।

২৬। কবুতর সব ধরনের আবহাওয়া ও পরিবেশে খাপ খাওয়াতে পারে।

এই পোস্ট আপনাদের উপকারে আসলে একটি লাইক, কমেন্ট ও শেয়ার করুন। ধন্যবাদ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!