Home / কবুতরের যত্ন / কবুতর পালকদের ১৩ টি সতর্কতামূলক কাজ
কবুতর পালকদের ১৩ টি সতর্কতামূলক কাজ
কবুতর পালকদের ১৩ টি সতর্কতামূলক কাজ

কবুতর পালকদের ১৩ টি সতর্কতামূলক কাজ

আমরা যারা কবুতর পালন করি তারা বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হয়ে থাকি। তারমধ্যে অন্যতমা সমস্যা হলো কবুতরের বিভিন্ন রোগ জীবানু। অনেকেই আছে যারা কবুতরের সঠিক রোগ নির্ণয় করে ঔষধ প্রয়োগ করতে পারেন না। এতে কবুতর সবচেয়ে বেশি মারা যায়। আর এমনটা ঘটে নতুন কবুতর পালকদের ক্ষেত্রে। তাই আজকের পোস্টে এমন ১৩ টি সতর্কতামূলক কাজ করার কথা আপনাদের বলবো তা যদি আপনি মেনে চলেন তাহলে সারাজীবন আপনার কবুতর থাকবে ১০০% সুস্থ এবং ফিট। তাহলে আর দেরি না করে চলুন সে ১৩ টি কাজ সম্পর্কে জেনে নেই।

১) প্রথমেই যে বিষয়টি খেয়াল রাখতে হবে তাহলো- কবুতরের ঘরে অথবা খামারে কবুতর ছাড়া অন্য যেকোনো পাখি বা প্রাণীর প্রবেশ বন্ধ করতে হবে। যদি কবুতরের ঘরে অন্য পাখি প্রবেশ করে তাহলে তাদের শরীরে থাকা রোগ জীবানু কবুতরের মধ্যে ছড়িয়ে পড়তে পারে।




২) খামারে যেন জাললী কবুতর না ঢুকে, এমনকি আপনার কবুতর যেন জালালী কবুতরের সাথে না মিশে এই ব্যবস্থা করতে হবে। মনে রাখবেন- জালালী কবুতর অনেক রোগের বাহক হিসেবে কাজ করে।

৩) খামারে ইঁদুর, তেলাপোকা এগুলো নিয়ন্ত্রণে রাখবেন।

৪) নতুন কবুতর কিনে এনে কখনোই তাকে সরাসরি খামারে ঢুকাবেন না। কবুতরটি আলাদা রেখে পর্যবেক্ষণ করবেন। এ সময় কবুতরটিকে টিমসেন বা অন্য কোনো জীবানুনাশক দিয়ে ভালো করে গোসল করাবেন। নতুন কবুতরটি ঠিকভাবে খাচ্ছে কিনা, কবুতরের পায়খানা কেম এগুলো খেয়াল করবেন। এক কথায় বলতে গেলে কবুতরটির কোনো রোগের লক্ষণ আছে কিনা সেটা গভীরভাবে অনুসন্ধান করবেন। যদি সব ঠিকঠাক থাকে তবেই কবুতরটি খামারে ওঠাবেন।

৫) কবুতরের ঘর, খাঁচা, খাবার পাত্র অর্থাৎ সমস্ত কিছু মাসে কমপক্ষে ২ দিন জীবানুনাশক দিয়ে স্প্রে করবেন।

৬) কবুতরের হাট কিংবা দোকান থেকে ফেরার পর বা অন্য কারো খামার থেকে আসার পর সরাসরি নিজের খামারে প্রবেশ করবেন না। সম্ভব হলে গোসল করে অথবা হাত পা ধুয়ে তারপর কবুতরের ঘরে প্রবেশ করবেন।




৭) খামারে ব্যবহারের জন্য আলাদা স্যান্ডেলের ব্যবস্থা করে রাখবেন। বাহিরে আপনি যে জুতা বা স্যান্ডেল ব্যবহার করেন তা নিয়ে কবুতরের খামারে প্রবেশ করবেন না।

৮) কোনো গেস্ট খামার পরিদর্শন করতে আসলে হা পা জীবাণুনাশক দিয়ে ধুয়ে তারপর খামারে প্রবেশ করাবেন।
৯) কোনো কবুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে অথবা অসুখের লক্ষণ দেখা দিলে, তাকে যত দ্রুত সম্ভব খামার থেকে সরিয়ে আলাদা রাখবেন। সুস্থ হলে আবার জীবাণুমুক্ত করে খামারে আনবেন।

১০) দোকান থেকে খাবার কিনে আনার পর ভালো করে ঝেড়ে ৩-৪ ঘন্টা রোদে শুকিয়ে সংরক্ষণ করবেন।

১১) রোগে আক্রান্ত কোনো কবুতর মারা গেলে মৃত কবুতরটি অবশ্যই মাটিতে পুতে ফেলবেন।

১২) ভ্যাকসিন দেওয়ার পর যদি অবশিষ্ট থাকে তবে সেটা সিরিঞ্জসহ মাটিতে পুতে ফেলবেন।

১৩) ঔষধ প্রয়োগের মেয়াদকাল শেষ হলে তা কখনোই আর ব্যবহার করবেন না। এক্ষেত্রে ঔষধ মাটিতে পুতে ফেলবেন।
আজ এ পর্যন্তই। পোস্টটি আপনাদের উপকারে আসলে একটা লাইক, কমেন্ট ও শেয়ার করবেন। ধন্যবাদ…

এই পোস্ট আপনাদের উপকারে আসলে একটি লাইক, কমেন্ট ও শেয়ার করুন। ধন্যবাদ...

Check Also

কবুতরের হিটস্ট্রোক প্রতিরোধ ও করণীয়

কবুতরের হিটস্ট্রোক প্রতিরোধ ও করণীয়

আসসালামুয়ালাইকুম কবুতর প্রেমি ভাই, বোন এবং বন্ধুগণ! আশা করছি সকলেই মহান আল্লাহর রহমতে ভালো আছেন। …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *