Home / কবুতরের যত্ন / কবুতর পালনে অ্যামোনিয়া সমস্যা ও করণীয়
কবুতর পালনে অ্যামোনিয়া সমস্যা ও করণীয়
কবুতর পালনে অ্যামোনিয়া সমস্যা ও করণীয়

কবুতর পালনে অ্যামোনিয়া সমস্যা ও করণীয়

কবুতর পালনে অ্যামোনিয়া সমস্যায় যা করতে হবে তা আমাদের অনেকেরই জানা নেই। কবুতর পালনে অনেক সময় অ্যামোনিয়ার সমস্যা দেখা যায়। কবুতরের খামারে এই সমস্যা দেখা দিলে কবুতরের বিভিন্ন রোগ হয়ে থাকে। অনেক ক্ষেত্রে কবুতর মারা পর্যন্ত যেতে পারে। আসুন তাহলে আজকে জেনে নেই কবুতর পালনে অ্যামোনিয়ার সমস্যায় কি করতে হবে সেই সম্পর্কে-

★★কবুতর পালনে অ্যামোনিয়া সমস্যায় যা করতে হবেঃ

=> অ্যামোনিয়া তৈরি হওয়ার কারণঃ
১। কবুতরের খামারে অ্যামোনিয়া হওয়ার অন্যতম কারণ হল কবুতরের থাকার স্থানের আশপাশে স্যাঁতস্যাঁতে ও ভেজা অবস্থার তৈরি হওয়া। কবুতরের খামারের কোন খাদ্য বা পানি পড়ে যদি ভিজে যায় তাহলে তা থেকে অ্যামোনিয়া সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে।




২। কবুতরের পায়খানায় অতি মাত্রায় বেশি পানি বের হলেও অনেক সময় অ্যামোনিয়ার সমস্যা দেখা দিতে পারে। কবুতরের এই সমস্যা দেখা দিলে খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে চিকিৎসা করাতে হবে।

৩। কবুতরের খামারের আশপাশে জলীয় বাষ্প বেশি পরিমাণে হলেও খামারে অ্যামোনিয়ার সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই কবুতরের খামারের চারপাশে যাতে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেশি না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

৪। কবুতরের থাকার স্থানে কোন কারণে পরিমাণমতো আলো প্রবেশ করতে না পারলে কবুতরের বাসস্থানে অ্যামোনিয়ার সৃষ্টি হতে পারে।




৫। কবুতরের খামারে সঠিকভাবে বাতাস প্রবাহিত না হলে কবুতরের থাকার জায়গায় অ্যামোনিয়ার সৃষ্টি হতে।

★★ অ্যামোনিয়ায় যেসব ক্ষতি হতে পারেঃ
১। কবুতরের অ্যামোনিয়া সমস্যা হলে অনেক সময় কবুতরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেকগুন কমে যেতে পারে। তাই যেকোন সময় কবুতর রোগের দ্বারা আক্রান্ত হতে পারে।

২। কবুতরের থাকার স্থানের চারপাশে বেশি পরিমাণ অ্যামোনিয়া হলে কবুতর খাদ্য গ্রহণে অনীহা প্রকাশ করতে পারে। এর ফলে কবুতরের শরীরের ওজন কমে যেতে পারে।

৩। অ্যামোনিয়ার সমস্যায় কবুতরের জীবনীশক্তি অনেকগুণ কমে যেতে পারে।



৪। অ্যামোনিয়ার সমস্যায় অনেক সময় কবুতরের ডিম উৎপাদন ক্ষমতা অনেকগুন কমে যায়। ফলে কবুতরের ডিম ও বাচ্চা উৎপাদন কম হয়।

★★ অ্যামোনিয়া সমস্যা হলে করণীয়ঃ
১। কবুতরকে যেই পাত্রে খাদ্য প্রদান করা হয় সেই পাত্রগুলোকে নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। কবুতর খাদ্য খাওয়ার পর কোন অবশিষ্ট থাকলে বা আশেপাশে পড়ে থাকলে সেগুলোকে তুলে ফেলে দিয়ে পরিষ্কার করে দিতে হবে।

২। কবুতর থাকার স্থানে সব সময় বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা রাখতে হবে।

৩। কবুতরের খামারে এই সমস্যা দেখা দিলে প্রথমে আক্রান্ত কবুতরগুলোকে আলাদা করে রাখতে হবে। এরপর থাকার জায়গা পরিষ্কার করে দিতে হবে।

৬। প্রয়োজন হলে ভালো কোন চিকিৎসক বা ভেটেনারিয়ানের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।


এই পোস্ট আপনাদের উপকারে আসলে একটি লাইক, কমেন্ট ও শেয়ার করুন। ধন্যবাদ...

Check Also

কবুতরের হিটস্ট্রোক প্রতিরোধ ও করণীয়

কবুতরের হিটস্ট্রোক প্রতিরোধ ও করণীয়

আসসালামুয়ালাইকুম কবুতর প্রেমি ভাই, বোন এবং বন্ধুগণ! আশা করছি সকলেই মহান আল্লাহর রহমতে ভালো আছেন। …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *