শুক্রবার , সেপ্টেম্বর ২৪ ২০২১
Home / অন্যান্য / কবুতরের প্রতি একটু সদয় হোন ও ১১ টি রোগের চিকিৎসা
কবুতরের প্রতি একটু সদয় হোন ও ১১ টি রোগের চিকিৎসা
কবুতরের প্রতি একটু সদয় হোন ও ১১ টি রোগের চিকিৎসা

কবুতরের প্রতি একটু সদয় হোন ও ১১ টি রোগের চিকিৎসা

আমরা অনেকেই খাচায় কবুতর পালি। আর ফেন্সি কবুতর সাধারনত খাচায়ই পালা হয়। কিন্তু অবাক করার বিষয় হচ্ছে আমাদের মধ্যে অনেকেই জিবনেও খাচা থেকে কবুতর বের করেন না।

সেই যে খাচায় ঢুকানো হয় সে অবস্হায়ই বছরের পর বছর কবুতরকে খাচায় বন্দি রেখে ডিম বাচ্চা করা হয়। একবার ভাবুনতো কতটা নির্দয় আর অর্থলোভি হলে কেউ একাজ করতে পারে।

অথচ খাচায় কবুতর পালার নিয়ম হচ্ছে প্রতিদিন অন্তত দুই বা এক ঘন্টার হন্য হলেও কবুতরকে বাহিরে ছেড়ে দেয়া। যাতে তারা তাদের নিয়মিত ব্যায়াম করতে পারে। ডিমে বসা কবুতরকেও পালাক্রমে বাহিরে ছাড়তে হয়। আর খাচার কবুতরকে অনেকেই গোসল করার ব্যবস্হা করে না।

এটা ঠিক নয়। কবুতরকে নিয়মিত গোসলের ব্যবস্হা করা উচিত। আসুন আমরা এতটা নির্দয় ভাবে কবুতর না পোষে একটু সদয় হই। এদের প্রয়জনিও চাহিদা গুলি মিটানোর জন্য যথাযত ব্যবস্হা গ্রহন করি।

গরমের সময় যথাযথ ব্যবস্থা না দিলে কবুতরের তাপজনিত সম্যসা (হিট স্ট্রোক, পানিশূন্যতা) হতে পারে ৷ কবুতরকে পর্যবেক্ষণ করে তাপ জনিত সম্যসা দেখা দিলে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে ৷

◆ লক্ষণ
• কবুতরের পাখা দুপাশে ঝুলে যাওয়া ।
• মুখ ও ঠোঁট ফ্যাকাশে হয়ে যাওয়া যদিও সব ক্ষেত্রে মুখ ফ্যাকাশে হয়ে যাওয়া ধরনের সমস্যা নির্দেশ করে না । মনে রাখবেন এটা বিভিন্ন রোগের কারনেও হতে পারে।
• শ্বাস-প্রশ্বাস ভারী হয়ে ওঠে।
• হৃদ স্পন্দনের হার বেড়ে যাবে।
• খাওয়া দাওয়া কমে যাবে এমনকি বন্ধও হয়ে যেতে পারে।

• পানি পর্যন্ত খেতে দেখা যেতে নাও পারে।
• ডায়রিয়া দেখা দিবে।
• যদি আপনি কবুতরের গায়ের চামড়া ধরে টানেন তাহলে অনেক ঢিলা মনে হবে।
• অল্পদিন ডায়রিয়ার পরে শরীর দূর্বল হয়ে যাবে।
• ঝিমানি ভাব বা লোম ফুলিয়ে বসে থাকবে।
• শরীর নড়বড়ে বা এমনকি সম্পূর্ণভাবে অকার্যকর হয়ে পড়বে ।

• যদি শরীরের অধিক তাপ সৃষ্টির ফলে পানি শূন্যতা হয় বেশি তাহলে পাখির খিঁচুনি হতে পারে।
• কবুতর বমি করতে পারে।
• এ ব্যপারে অবিলম্বে ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে হটাত মৃত্যু ঘটে।
• ঠাণ্ডা ভাব বা সর্দি বা পাখা/পা আংশিক সাময়িক প্যারালাইসিস হতে পারে।

• আংশিক বা সম্পুর্ণ চেতনাশূন্য হতে পারে।
• শরীরের তাপ হটাত বেড়ে বা কমে যেতে পারে। এর ফলে কবুতর উল্টে পরে ঝটপটানি করতে পারে।
• হা করে শ্বাস নিবে ও নিচের অংশ টি উঠানামা করবে যেমন গরমে মুরগি যেমন করে শ্বাস নেয় ঠিক তেমন করে।

• নাকে ও চোখে পানি থাকবে(ঘর ঘর করতে পারে বা নাও পারে কিন্তু মুখের ভিতরে কোন প্রকার সাদা বা হলুদ আবরন থাকবে না।)
• পায়খানা স্বাভাবিক থাকবে অর্থাৎ সবুজ সাদা বা পাতলা সবুজ বা পাতলা খয়রি রঙের বা হালকা সবুজ সাদা ইত্যাদি।
• কবুতর টলমল করে পরে যেতে পারে বা তাদের শারীরিক চলাফেরা কমিয়ে দিতে পারে।

◆ প্রতিরোধ ও প্রতিকার
• আপনি যদি নিশ্চিত হন, আপনার কবুতর তাপ জনিত কারনে পানি শূন্যতায় ভুগছে তবে দেরি না করে গলা পর্যন্ত পানিতে ধরে রাখুন ৷ মিনিট খানেক পর স্যালাইন অথবা অ্যালোভেরা মিশ্রিত পানি খেতে দিন ৷ অনেকেই ডিম দেবার পর কবুতরের পাতলা অথবা নরম পায়খানার কথা বলে থাকেন ৷

ডিম দেবার পর এমন পায়খানা হওয়া স্বাভাবিক হলেও ভাল না ৷ এতে কবুতর মারা যায় না বলে অনেকে তেমন কিছু মনে করেন না ৷ কিন্তু মনে করা উচিত ৷ পাতলা পায়খানা পানি স্বল্পতা নির্দেশ করে, অন্যভাবে বলা যায় লবনের ঘাটতি নির্দেশ করে ৷

কবুতর যখন ডিম দেয়, তখন স্বাভাবিকভাবেই কবুতরের পুষ্টি ডিমে স্থানান্তরিত হয় ৷ এ কারনে কবুতর পুষ্টিহীনতায় ভোগে ৷ এ জন্য ব্রিডিং পেয়ার (ডিম বাচ্চা করা কবুতর)কে পুষ্টি উপাদান বেশি দিতে হয় ৷ সোজা কথায়, ডিম দেবার পর কবুতরের লবনের ঘাটতি হয়, পাতলা পায়খানা হয় ৷

তাই কবুতরকে লবনের যোগান দিতে হবে ৷ গ্রিট, স্যালাইন কবুতরের লবনের অভাব পূরণে সাহায্য করে ৷ তাই কবুতরকে গ্রিট (সপ্তাহে ২ দিন) দিন, স্যালাইন (গ্লুকোলাইট ১ লিটার পানিতে ২ গ্রাম) দিন ৷ আয়োডিন যুক্ত লবনও দিতে পারেন ৷

১ লিটার পানিতে ২ গ্রাম অথবা খাবারের সাথে মোট খাবারের ২/৩ ভাগ ৷ কখনই সরাসরি লবন দেবেন না ৷ উল্লেখ্য লবনের ঘাটতির কারনে কবুতর বাচ্চাকে কাপড়ে রক্তাক্ত করে, শুকনো পায়খানা ঠোকায় ৷ খাঁচায় পোষা পাখির কিছু রোগ ও চিকিৎসা সেবা

০১. আবহাওয়া পরিবর্তনের কারনে অসুস্থতা লক্ষণ সমূহ : শরীর ফুলিয়ে মুখ গুজে বসে থাকা কম খাওয়া
আলো বা তাপ পছন্দ করা। চিকিৎসা পদ্ধতি =
ক. ভ্যাটেরিনারী চিকিৎসা Adovas – 3ml in 1 liter water Respiron + Multivit Toycol, Tylocef (tilocin group) + Multivitamin

খ. হোমিওপ্যাঁথি চিকিৎসা = Nuxvom 200 (পাখিদের খাবার পানিতে ৪ ফোটা করে ৩ দিন মিশিয়ে দিতে হবে)

০২. শ্বাসতন্ত্রের অসুস্থতা লক্ষণ সমূহ : নাক দিয়ে পানি পরা ঘড় ঘড় শব্দ করা কাশি দেয়া নাক ও মুখ দিয়ে আঠালো বস্তু পরা জোরে শ্বাস নেয়া মুখ দিয়ে শ্বাস নেয়া। চিকিৎসা পদ্ধতি =
ক. ভ্যাটেরিনারী চিকিৎসা Adovas / Toycol, Tylocef (tilocin group) = হালকা ঠাণ্ডা কাশি হলে খাওয়াতে হবে

Tydocol / Tylosef + Oxycenting 20% / Tylodox + Respiron = বেশী ঠাণ্ডা বা কফ থাকলে (পাখি বেশী দুর্বল হলে প্রয়োজনে Maxfort / Hyperchok Amino মাল্টিভিটামিন দেয়া যাবে)

খ. হোমিওপ্যাঁথি চিকিৎসা = প্রথমে Nuxvom 30 (পাখিকে সরাসরি ১ ফোটা ও খাবার পানিতে ৪ ফোটা
করে ২ দিন মিশিয়ে দিতে হবে) যদি নাক দিয়ে পানি পরে Rush Tox 30 / শীতকালীন সমস্যায় Campfar 30

যদি শুকনা ও ঠাণ্ডা হাঁচি হয় তাহলে Dulcamra 30 যদি ঘড় ঘড় শব্দ করে ও কফ থাকে তবে Antim Tert 30
যদি শুধুমাত্র মুখ হাঁ করে শ্বাস নিতে থাকে তবে Spongia 30 অধিক কার্যকরী

০৩. পরিপাকতন্ত্রের অসুস্থতা (সবুজ পায়খানা) লক্ষণ সমূহ : গাঢ় সবুজ / শেওলা রং / পিত্ত রঙের পায়খানা সবুজ পিচ্ছিল পায়খানা Vent Area সবুজ হয়ে থাকা সবুজ পায়খানার সাথে পানির ভাগ বেশী থাকা পাখি ধীরে ধীরে নিস্তেজ হয়ে আসা চিকিৎসা পদ্ধতি = ক. ভ্যাটেরিনারী চিকিৎসা প্রথমে Esb 30 + Electrolite Saline ব্যাবহার করে দেখা যে পাখির পায়খানা স্বাভাবিক হয় কিনা দ্বিতীয়ত Oxycenting 20% অথবা Human Doxin 100 mg + Esb 30 + Electrolite Saline ব্যাবহার করা (পাখি বেশী দুর্বল হলে প্রয়োজনে Maxfort / Hyperchok Amino মাল্টিভিটামিন দেয়া যাবে)

খ. হোমিওপ্যাঁথি চিকিৎসা = Nuxvom 30 ২ দিন দিয়ে অবস্থা পরীক্ষা করতে হবে অবস্থা পরিবর্তন না হলে IPIKAK 30 ২/৩ দিন দিতে হবে তারপরেও ভালো না হলে Akonaite 30 ব্যাবহার করা যাবে যদি কোনোভাবে অবস্থা নিয়ন্ত্রনে না আসে তবে Arcenic 30 ব্যাবহার করা যাবে । কোনও অবস্থাতেই আগেই Arcenic ব্যাবহার করা উচিৎ হবে না ।

০৪. পরিপাকতন্ত্রের অসুস্থতা (চুনা পায়খানা) লক্ষণ সমূহ : সাদা চুনের মতো পায়খানা পায়খানায় পানির পরিমান বেশী খাবার খাওয়ার পরিমান কমে যাওয়া পাখির ঝিমান ভাব চিকিৎসা পদ্ধতি =
ক. ভ্যাটেরিনারী চিকিৎসা প্রথমে Esb 30 + Electrolite Saline ব্যাবহার করে দেখা যে পাখির পায়খানা
স্বাভাবিক হয় কিনা দ্বিতীয়ত Oxycenting 20% অথবা Human Doxin 100 mg + Esb 30 + Electrolite Saline
ব্যাবহার করা (পাখি বেশী দুর্বল হলে প্রয়োজনে Maxfort / Hyperchok Amino মাল্টিভিটামিন দেয়া যাবে)

খ. হোমিওপ্যাঁথি চিকিৎসা = প্রথমে Nuxvom 30 ২ দিন দ্বিতীয়ত Pulsetula 30 ৫ দিন

০৫. পরিপাকতন্ত্র ও শ্বাসতন্ত্র উভয়ের অসুস্থতা (viral desease) লক্ষণ সমূহ : গাঢ় সবুজ / শেওলা রং / পিত্ত রঙের পায়খানা সবুজ পিচ্ছিল পায়খানা Vent Area সবুজ হয়ে থাকা সবুজ পায়খানার সাথে পানির ভাগ
বেশী থাকা পাখি ধীরে ধীরে নিস্তেজ হয়ে আসা নাক দিয়ে পানি ঝরা ঘড় ঘড় শব্দ করা কাশি দেয়া নাক ও মুখ দিয়ে আঠালো বস্তু পরা জোরে শ্বাস নেয়া মুখ দিয়ে শ্বাস নেয়া চোখ দিয়ে পানি পরা চোখ ফুলে যাওয়া
চিকিৎসা পদ্ধতি

ক. ভ্যাটেরিনারী চিকিৎসা Tylodox + Esb 30 + Electrolite Saline অথবা Human Doxln 100 + Esb 30 + Tylosef / Tydocol অথবা Oxycenting 20% + esb 30 + Toylosef + Electrolite Saline অথবা Tylodox + Esb 30 + Eletrolite Saline বিশেষ দ্রষ্টব্য = পাখি বেশী দুর্বল হলে প্রয়োজনে Maxfort / Hyperchok Amino মাল্টিভিটামিন দেয়া যাবে । পাখি সুস্থ হলে পরবর্তীতে Protexin বা টক দই বা Apple Cider Vinegar (ACV) প্রবায়টিক হিসেবে পাখিকে খাওয়াতে হবে ।

খ. হোমিওপ্যাঁথি চিকিৎসা = প্রথমে Nuxvom 30 ২ দিন দ্বিতীয়ত Aconaite 30 ৩ দিন পরবর্তীতে Arcenic 30 ৩ দিন যদি পায়খানা ঠিক হয়ে যায়, কিন্তু ঠাণ্ডা ভালো হয় নাই তবে Antim 30 দিতে হবে যদি ঠাণ্ডা ভালো হয়েছে, কিন্তু পায়খানা সবুজ থাকে তবে IPIKAK 30 দিতে হবে যদি ঠাণ্ডা ভালো হয়েছে, কিন্তু পায়খানা চুনা থাকে তবে Pulsetula 30 দিতে হবে যদি চোখ দিয়ে পানি পরে তবে Euphoresia 30 দিতে হবে

০৬. বদহজম লক্ষণ সমূহ : খাঁচায় ঝুলে থাকা বমি বমি ভাব করা বা বমি করা চঞ্চলতা কমে যাওয়া কম খাওয়া চিকিৎসা পদ্ধতি = ক. ভ্যাটেরিনারী চিকিৎসা Hemko P.H + Engime

খ. হোমিওপ্যাঁথি চিকিৎসা = Nuxvom 200 (বমি বমি ভাব করলে) IPIKAK 30 (বমি করে ফেললে) বিশেষ দ্রষ্টব্য = লেবু ও রসুনের রস মিশ্রিত হালকা লিকার চা অথবা গন্ধ মাদুলি পাতার রস এক্ষেত্রে বিশেষ উপকারি ও কার্যকর ।

০৭. Protozoal Problem – কৃমি ও উকুন (Air Seck Mites) লক্ষণ সমূহ : পাখিভ চঞ্চলতা কমে যাওয়া Vent Area চুলকানো পালক ঝরা খাঁচার সাথে শরীর ঘষা শরীরে ছোট ছোট পোকার অস্তিত্ব চিকিৎসা পদ্ধতি =

ক. ভ্যাটেরিনারী চিকিৎসা Acimec Oral Solution (১ লিটার পানিতে ১ মিলি মিশিয়ে ২ দিন – ১৫ দিন পর পর ১ দিন) Quaviet (জীবাণু ও পরজীবী নাশক দিয়ে পাখির শরীরে স্প্রে করটে হবে ।

খেয়াল রাখতে হবে যেন পাখির চোখে না লাগে)
খ. হারবাল চিকিৎসা = নিম পাতা খেতে দেয়া পাখির শরীরে নিম পাতা সিদ্ধ পানি ভালো করে স্প্রে করা
নিম পাতা সিদ্ধ পানি শুধুমাত্র কৃমি হলেই পাখিকে খেতে দিতে হবে

০৮. Canker / Trichamonasis (ক্যাঙ্কার / ট্রিচামনাসিস) লক্ষণ সমূহ : বাচ্চা পাখির খাদ্যনালী সরু হয়ে যাওয়া
পেট থেকে vent area ‘র উপরিভাগ লালছে থেকে কালচে হয়ে যাওয়া চিকিৎসা পদ্ধতি =
ক. ভ্যাটেরিনারী চিকিৎসা Ronidazole গ্রুপের ঔষধ Ronin বা Ronivet

খ. হোমিওপ্যাঁথি চিকিৎসা = Nuxvom 30 (পাখিদের খাবার পানিতে ৪ ফোটা করে ২ দিন মিশিয়ে দিতে হবে)
Marksol 30 (পানিতে ৪ ফোটা করে ৫ দিন)

০৯. Physical Injury লক্ষণ সমূহ : মারামারি করে বা আঘাতের কারনে রক্তাক্ত হওয়া ব্যাথা পাওয়া পা ফেলতে না পারা ডানা ঝুলে যাওয়া খুড়িয়ে খুড়িয়ে হাঁটা পায়ের হাড় স্থানচ্যুত (Disbalance) হওয়া চিকিৎসা পদ্ধতি =
হোমিওপ্যাঁথি চিকিৎসা = ক্ষত স্থানে Calendula Mother Tinqture দিয়ে ভালো করে wash করে দিতে হবে
Arnica 30 (খাবার পানিতে ৪ ফোটা করে ৫ দিন দিতে হবে) যদি হাড় স্থানচ্যুত (disbalance) হয়, তবে Hyparicum 30 ব্যাবহার করতে হবে

১০. খিঁচলাগা রোগ লক্ষণ সমূহ : ঠাণ্ডা নাই, পায়খানা ভালো, তারপরেও ঝিমান ভাব প্রথমে কিছুক্ষন স্বাভাবিক আবার কিছুক্ষন অস্বাভাবিক খাঁচার এক কোনায় বসে থাকা দ্রুত ওজন কমে যাওয়া জোরে শ্বাস নেওয়া খাওয়ার চেষ্টা করা কিন্তু কিছুই খেতে না পারা চিকিৎসা পদ্ধতি = হোমিওপ্যাঁথি চিকিৎসা = Nuxvom 30 Browmia 30

১১. পক্ষাঘাত (Paralisis) লক্ষণ সমূহ : পাখি হঠাৎ উড়তে না পারা পা অবশ হয়ে পরা নড়াচড়া করতে না পারা কিছুক্ষন পরপর অনবরত ঘার ঘুরানো চিকিৎসা পদ্ধতি =
ক. ভ্যাটেরিনারী চিকিৎসা Vitamin B-complex ও Zinc Calcium

খ. হোমিওপ্যাঁথি চিকিৎসা = Nuxvom 30 (পাখিদের খাবার পানিতে ৪ ফোটা করে ২ দিন মিশিয়ে দিতে হবে)
Costicum 30 (পানিতে ৪ ফোটা করে ৫ দিন) হোমিওপ্যাঁথি ঔষধ ব্যাবহারের নিয়মাবলী

০১. হোমিওপ্যাঁথি ঔষধ খালি পেটে খাওয়াতে হয় । হোমিওপ্যাঁথি ঔষধ খাওয়ানোর ২ ঘণ্টা আগে খাবার ও
পানি সরানো উচিৎ । হোমিওপ্যাঁথি ঔষধ খাওয়ানোর কমপক্ষে ১ ঘণ্টা পর Seed Mix দেয়া উচিৎ ।

০২. পাখিকে ড্রপার দিয়ে ঔষধ খাওয়ালে পাখির Beack এর side থেকে দিতে হবে । সামনে দিয়ে দিলে ঔষধ
ঠিক মতো খাওওান যাবে না বা ঔষধ পরে যাবে ।
০৩. ধৈর্য রাখতে হবে ।
০৪. প্রতিটা ঔষধের জন্য আলাদা আলাদা ড্রপার ব্যাবহার করতে হবে ।

এই পোস্ট আপনাদের উপকারে আসলে একটি লাইক, কমেন্ট ও শেয়ার করুন। ধন্যবাদ...

Check Also

কবুতরের বিভিন্ন প্রকার ভিটামিন ও এদের কার্যকারিতা

কবুতরের বিভিন্ন প্রকার ভিটামিন ও এদের কার্যকারিতা

কবুতরের বিভিন্ন ভিটামিন ও এদের কার্যকারিতা নিচে আলোচনা করা হলো- => ভিটামিন-এ এর ঘাটতি : …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *